জেলা প্রশাসন
left_menu_pic
Joomla Slide Menu by DART Creations
left_menu_footer
দর্শনীয় স্থান

 

দর্শনীয় স্থান

নওগাঁ জেলা রাজশাহী বিভাগের অন্যতম বৃহৎ জেলা বিশালায়তন এ জেলা বুকে ধারণ করে আছে বহু পূরাকীর্তি। এর মধ্যে মান্দা উপজেলাধীন- ‘কুশুম্বা মসজিদ’ ও তৎসংলগ্ন কুশুম্বা দীঘি, ধামইরহাট উপজেলার আগ্রাদ্বিগুণ ইউনিয়নের ‘ অগ্রপুরী বিহার’, ‘জগদল বিহার’, বদলগাছি উপজেলার দ্বীপগঞ্জ নামক স্থানে অবস্থিত ‘হলুদ বিহার’, পাহাড়পুরের ‘সোমপুর বিহার’, পত্নীতলা উপজেলার দিবর দীঘির মধ্যখানে অবস্থিত ‘দিব্যক জয়স্তম্ভ’ বিশেষভাবে উলে­খযোগ্য। এছাড়া জেলায় যে সব দর্শনীয় সহান রয়েছে সেগুলো  পতিসর কাচারী বাড়ী (আত্রাই), ভীমের পান্টি (ধামইরহাট), মাহিসন্তোষ (ধামইরহাট), বলিহার রাজবাড়ী (নওগাঁসদর), আলতাদিঘী (ধামইরহাট), দুবলহাটী জমিদারবাড়ী (নওগাঁ সদর)। নিম্নে দর্শনিয় স্থানসমূহের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেওয়া হলোঃ নওগাঁ জেলায় বেশকিছু দর্শনীয় স্থান রয়েছেএসব স্থানে সব মৌসুমেই কিছু কিছু দর্শনার্থীর ভিড় জমে স্থানগুলো হলো :

কুশুম্বা মসজিদ (মান্দা)

পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (বদলগাছি)

পতিসর রবীন্দ্র কাচারি বাড়ি (আত্রাই)

ভিমের পান্টি (ধামইরহাট)

দিব্যক জয়সত্মম্ভ (পত্নীতলা)

মাহি সমেত্মাষ (ধামইরহাট)

বলিহার রাজ বাড়ি (নওগাঁ সদর)

আলতাদিঘি (ধামইরহাট)

জগদল বাড়ি (ধামইরহাট)

১০হলুদ বিহার (বদলগাছি)

১১দুবলহাটি জমিদার বাড়ি (নওগাঁ সদর)

এসব স্থানের পূরাতত্ত্ব ঠিক রেখে আনুষাঙ্গিক উন্নয়ন সাধনের মাধ্যমে দর্শনীর বিনিময়ে ব্যাপক দর্শনার্থী আকৃষ্ট করা সম্ভব

 

কুশুম্বা মসজিদ

প্রাচীন ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে প্রথমেই উলেস্নখ করা যায় কৌশাম্বীর নাম। এর উলেস্নখ পাওয়া যায় খ্রিস্টাব্দ ১২শতকে রচিত রামচরিতের ভাষ্যে। কুশুম্বা মসজিদের পশ্চিম পাশে সোনাবিবির মসজিদ পর্যমত্ম ফাঁকা জায়গাতে প্রচুর প্রত্ন নিদর্শন লক্ষ্য করা যায়।

 

wPÎ msMÖn: Kvjvš—‡i bIMvu|

তাছাড়া হিস্ট্রি অব বেঙ্গল ভলিউম: ১ এ প্রাচীন বাংলার একটি মানচিত্রে কৌশাম্বীর যে অবস্থান দেখানো হয়েছে তাতেও মনে হয় যে, বর্তমান কুশুম্বাই প্রাচীন কৌশাম্বী। এই নিদর্শনটি মান্দা উপজেলায় রাজশাহী মহাসড়কের পাশে অবস্থিত। প্রাচীন মসজিদ এবং তৎসংলগ্ন বিশালাকৃতির দীঘি নিয়ে কুশুম্বা নামটি প্রচলিত। এখানে সব মৌসুমে পর্যটক ও সৌন্দর্য পিপাসু মানুষের ভিড় জমে।

কুসুম্বা মসজিদ যাওয়ার ব্যবস্থা :

নওগাঁ বালুডাংগা বাস টার্মিনাল হতে সরাসরি বাসযোগে ঐতিহাসিক মান্দার কুসুম্বমসজিদ

যাওয়া যায়। আনুমানিক দূরত্ব ৩৫ কিঃমিঃ বাস ভাড়া- ৩০/-টাকা ।

থাকার ব্যবস্থা- জনসাধারণের জন্য কুসুম্বা মসজিদে থাকার কোন ব্যবস্থা নেই দিনে যেয়ে দিনেই ফিরে আসতে হবে অথবা উপজেলা সদর/জেলা সদরে থাকা যাবে; তবে ভি আই পি দের বিশ্রামের  জন্য GK K¶ wewkó wekªvg i“g we`¨gvb Av‡Q|

hv gmwR‡`i Bgvg : Rbve nv‡dR Devq`yj nK  এর ‡`Lvïbv K‡ib|

Zvi mv‡_ †hvMv‡hvMGi †gvevBj bæi: 01719670245

wekªvg i“‡gi cv‡k `k©Yv_x©‡`i Rb¨ GKwU Avkªq‡K›`ª wbgv©‡Yi KvR Pj‡Q| Gi wfwË cÖ¯—i ¯’vcb K‡ib gvbbxq msm` m`m¨ Rbve gynv: BgvR DwÏb cÖvgvwbK

 

বিস্তারিত জানার জন্য যোগাযোগের  ঠিকানাঃ

জনাব মুন্সী মোঃ মনিরুজ্জামান

উপজেলা নির্বাহী অফিসার

মান্দা, নওগাঁ

মোবাইল নম্বর- ০১৭২০৩৫৭২৮৪

 

অগ্রপুরী বিহার

নওগাঁ জেলার ধামইরহাট থানার আগ্রাদ্বিগুণে একটি স্ত্তপ আছে। এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের রক্ষণাধীন। তিববতীয় সাহিত্যে এটাকে অগ্রপুরী বিহার বলা হয়েছে। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী পাল রাজাদের আমলে নির্মিত এই স্ত্তপের উচ্চতা-আয়তন দেখে মনে হয় এককালে এটি একটি বৃহৎ প্রতিষ্ঠান ছিল।


জগদল বিহারঃ

ধামইরহাট থানায় জয়পুরহাট-ধামইরহাট রাসত্মার উত্তর দিকে অবস্থিত ‘জগদল বিহার’ একটি প্রাচীন কীর্তি। কিন্তু দেশের মানুষের কাছে স্থানটি আজও তেমন পরিচিত নয়। অথচ এই বিহারটি প্রাচীন বাংলার শিক্ষা দীক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। কথিত আছে যে, কাশ্মীরের প্রসিদ্ধ সাধু ও পন্ডিত সাক্য শ্রীভদ্র ১২০০ খ্রিস্টাব্দে বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহার দর্শন করে জগদল বিহারে এসেছিলেন।

 

wPÎ msMÖn I ms‡hvRb: W. †gvRvddi Avn‡g`, AwZwi³ †Rjv cÖkvmK (ivR¯^), bIMvu| ZvwiL: ৩১ Rvbyqvix  2010

 

 

বাংলার জগদল বিহারের বৌদ্ধ পন্ডিত বিদ্যাকর সুভাষিত রত্নকোষ নামে একটি কোষকাব্য সংকলন সম্পন্ন করেছিলেন। প্রাচীন বাংলার এমন উন্নত জ্ঞান সাধন কেন্দ্র আজ সম্পূর্ণ ধ্বংসপ্রাপ্ত। বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের তত্ত্বাবধানে বর্তমানে এই স্থানটিতে খনন কাজ চলছে।


জগদল বিহার যাওয়ার ব্যবস্থা:

নওগাঁ বালুডাংগা বাস টার্মিনাল হতে সরাসরি বাসযোগে ধামইরহাট উপজেলা সদর সেখান হতে বাস/অটোরিক্মা যোগে ঐতিহাসিক জগদলবিহার যাওয়া যায়।

আনুমানিক দূরত্ব: ৬৫ কিঃমিঃ

বাসভাড়া- ৬০-৭০/-টাকা ।


থাকার ব্যবস্থা- জনসাধারণের জন্য জগদ্দল বিহার থাকার কোন ব্যবসহা নেই দিনে যেয়ে দিনেই ফিরে আসতে হবে অথবা উপজেলা সদর/জেলা সদরে থাকা যাবে।

বিস্তারিত জানার জন্য যোগাযোগের  ঠিকানাঃ

জনাব আবু নূর মোঃ শামসুজ্জামান

উপজেলা নির্বাহী অফিসার

ধামইরহাট, নওগাঁ

মোবাইল নম্বর- ০১৮১৯১১৬৫১৮

হলুদ বিহার

বদলগাছি থানার বিলাসবাড়ি ইউনিয়নের দ্বীপগঞ্জ গ্রামে হলুদবিহার অবস্থিত। এখানে যে একটি বৌদ্ধ বিহারের অস্তিত্ব আছে তার যুগল দুটি শব্দ হলুদ বিহার ও দ্বীপগঞ্জ থেকে উপলব্ধি করা যায়। হলুদ বিহার যেমন একটি বিহার বা সংঘারামের  অস্তিত্বের  ইঙ্গিত  বহন  করে  তেমনি  দ্বীপগঞ্জ  একটি দ্বীপের অবস্থানের আভাস দেয়। এই বিহার নওগাঁ

জেলার সর্বাপেক্ষা পরিচিত পাহাড়পুর বিহার থেকে মাত্র নয় মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। দ্বীপগঞ্জ গ্রামে হাটের পাশে একটি উঁচু ঢিবি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এ ঢিবির পরিধি ১০০ ফুট। সমতল ভূমি থেকে উচ্চতা প্রায় ২৫ ফুট। বিহারের পার্শববর্তী এলাকায় মাঝেমধ্যে মাটি খনন কালে আকর্ষণীয় প্রত্ন নিদর্শন যেমন পাথর, ধাতব মূর্তি, পোড়া মাটির ফলক, অলংকৃত ইট পাওয়া যায়। আলোচিত ঢিবি ও মাটির তলা থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন নিদর্শন দেখে অনেকে অনুমান করত যে, এটি একটি প্রাচীন কীর্তি। বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ অনুসন্ধান ও জরিপ চালিয়ে স্থির সিদ্ধামেত্ম পৌঁছেছে যে এটি একটি বৌদ্ধ বিহার। এর ফলশ্রুতিতে ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ হলুদ বিহারকে সংরক্ষিত মনুমেন্ট হিসেবে ঘোষণা দেয়।


সোমপুর বিহার/পাহাড়পুর:

নওগাঁ জেলার সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক স্থান বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর বিহার। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে সোমপুর বিহার ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। ইংরেজ প্রত্নতাত্ত্বিক বুকানন হামিলটন যখন পূর্ব ভারতে জরিপ কাজ পরিচালনা করেন (১৮০৭-১৮১২) তখন তিনি পাহাড়পুরের এই সূতপকে বৌদ্ধ বিহার বলে অনুমান করেন। ১৯২৩ সাল থেকে ১৯৩৪ সাল পর্যমত্ম এর খনন কাজ চলে। খনন কালে মাটির একটি সিল থেকে জানা যায় যে, এটি সোমপুর বিহার। পাল রাজবংশের রাজা ধর্মপাল (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষ দিকে এ বিহার নির্মাণ করেন। সোমপুর বিহার এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম বিহার। এর দৈর্ঘ্য পূর্ব-পশ্চিমে ৯১৯ ফুট এবং উত্তর-দক্ষিণে ৯২২ ফুট। মূল ভবনে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্য ১৭৭টি কক্ষ ছিল। ৮০০ জন ভিক্ষুর বাসপোযোগী ছিল। এ বিহারে ১২৫নং কক্ষে মাটির পাত্রে খলিফা হারুন-অর-রশিদের শাসনামলের রৌপ্য মুদ্রা পাওয়া যায়। কোন সাধক বা ধর্ম প্রচারক মুদ্রাগুলি এখানে এনেছিলেন বলে অনুমান করা হয়। পিরামিড আকৃতির এ মঠের উচ্চতা ৭০ ফুট। ১টি শূন্যগর্ভ চতুস্কোণ কক্ষকে কেন্দ্র করে এর অন্যান্য সংযোজনীসমূহ গড়ে ওঠেছে। সমগ্র বিহারটি প্রাচীর বেষ্টিত। এর প্রবেশ পথ এবং মূল ভবনে ওঠার সিঁড়ি ছিল উত্তর দিকে। সোমপুর বিহারে বাস করতেন মহাপন্ডিতাচার্য বোধিভদ্র। আচার্য অতীশ দীপঙ্কর কিছু কাল এই বিহারে বাস করেন। তাঁর গুরু রত্নাকর শামিত্ম সোমপুর বিহারের মহাস্থবির ছিলেন। সোমপুর বিহারে অবস্থান করতেন প্রাচীন চর্যাগীতিকার কাহ্নপা ও তাঁর গুরু জলন্দরী পা ওরওফ হাড়ি পা।

 

wPÎ msMÖn I ms‡hvRb: W. †gvRvddi Avn‡g`, AwZwi³ †Rjv cÖkvmK (ivR¯^), bIMvu| ZvwiL: 1৮ ডিসেম্বর 200৯

পাহাড়পুর নওগাঁ জেলা এবং বদলগাছী থানার অধীনস্থ পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ন প্রত্নস্থল। পাকা সড়কের মাধ্যমে গ্রামটির নিকটস্থ রেল স্টেশন জামালগঞ্জ, জেলা শহর নওগাঁ এবং জয়পুরহাট শহরের সংগে যোগাযোগ রক্ষিত হচ্ছে। এ প্রত্নস্থল উত্তরবঙ্গের প­াবনভূমিতে অবস্থিত। বিস্তীর্ণ একটানা সমভূমির মাঝে এক সুউচ্চ (পার্শ্ববর্তী ভূমি থেকে প্রায় ২৪ মিটার উঁচু) প্রাচীন মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ স্বভাবতই একে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। স্থানীয়ভাবে পাহাড় নামে পরিচিত লাভকারী এ ধ্বংসাবশেষের অবস্থান থেকে পাহাড়পুর নামের উৎপত্তি হয়েছে। পূর্বভারতে জরিপ কাজ পরিচালনাকালে ১৮০৭ থেকে ১৮১২ সালের মধ্যে বুকানন হ্যামিল্টন সর্ব প্রথম প্রত্নস্থলটি পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে ওয়েস্টম্যাকট পাহাড়পুর পরিভ্রমণে আসেন। স্যার আলেকজান্ডার ১৮৭৯ সালে এ স্থা্ান পরিদর্শন করেন। তিনি এ ঢিভিতে ব্যাপক আকারে খনন করতে চেয়েছিলেন। কিন্ত এ জমির মালিক বলিহারের জমিদার কর্তৃক তিনি বাধাপ্রাপ্ত হন। ফলে বিহার এলাকায় সামান্য অংশে এবং কেন্দ্রিয় ঢিভির শীর্ষভাবে সীমিত আকারে খননের কাজ চালিয়েই তাঁকে সন্তোষ্ট করতে হয়। শেষোক্ত এলাকায় তিনি চার পাশে উদ্গত অংশযুক্ত ২২ ফুট বর্গাকার একটি ইমারত আবিষ্কার করেন। প্রত্নস্থলটি ১৯০৯ সালে পুরাকীর্তি আইনের আত্ততায় ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ কর্তৃক ১৯১৯ সালে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষিত হয়। (ভূমি নকশা, পাহাড়পুর)।


পাহাড়পুর যাওয়ার ব্যবস্থা:

নওগাঁ বালুডাংগা বাস টার্মিনাল হতে সরাসরি বাসযোগে ঐতিহাসিক পাহাড়পুরে যাওয়া যায় GLv‡b cÖZœZË¡ Awa`ßivaxb hv`yNi Av‡Q|আনুমানিক দূরত্ব আনুমানিক ৩২ কিঃমিঃ বাভাড়া- ৩০- ৪০ টাকা

থাকার ব্যবস্থা- জনসাধারণের জন্য পাহাড়পুরে থাকার কোন ব্যবস্থা নেই দিনে যেয়ে দিনেই ফিরে আসতে হবে অথবা উপজেলা সদর/জেলা সদরে থাকা যাবে; তবে ভি আই পি দের থাকার জন্য নিকটে রেস্টহাউস আছে ।

বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য যোগাযোগের  ঠিকানাঃ

জনাব আবু ইউসুফ মোঃ রেজাউর রহমান

উপজেলা নির্বাহী অফিসার

বদলগাছী, নওগাঁ

মোবাইল নম্বর- ০১৭১৭২২৭৬৯০

দিব্যক জয়স্তম্ভ :

নওগাঁ জেলার একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন পত্নীতলা থানার দিবর দীঘির মাঝখানে অবস্থিত দিব্যক জয়স্তম্ভ। এ দীঘি স্থানীয় জনগণের কাছে কর্মকারের জলাশয় নামে পরিচিত। দীঘিটি ৪০/৫০ বিঘা বা অর্ধ বর্গমাইল জমির উপর অবস্থিত এবং গোলাকার। দিবর দীঘির মধ্যখানে অবস্থিত আটকোণ বিশিষ্ট গ্রানাইট  পাথরের এত বড় স্তম্ভ বাংলাদেশে বিরল।

 

wPÎ msMÖn: Kvjvš—‡i bIMvu|

এ স্তম্ভের মোট উচ্চতা ৩১ ফুট ৮ ইঞ্চি। পানির নিচের অংশ ৬ ফুট ৩ ইঞ্চি এবং পানির উপরের অংশ ২৫ ফুট % ইঞ্চি। এর ব্যাস ১০ ফুট ৪ ইঞ্চি; প্রতিটি কোণের পরিধি ১ ফুট সাড়ে ৩ইঞ্চি। এর স্তম্ভে কোন লিপি নে। সত্মম্ভের উপরিভাগ খাঁজ কাটা অলঙ্করণ দ্বারা সুশোভিত। দীনেশ চন্দ্র সেন ‘বৃহৎ বঙ্গে’ উলে­খ করেছেন ‘কৈবর্ত রাজ ভীমের খুল­ পিতামহ দিবেবাক দ্বিতীয় মহীপালকে যুদ্ধে পরাজিত ও নিহত করিয়া বিজয়োল­াসে যে স্তম্ভ উত্থাপিত করিয়াছিলেন তাহা এখনও রাজশাহী জেলার এক দী

ঘির উপরে মস্তক উত্তোলন করিয়া বিদ্যমান।’ অন্যমতে, দিব্যকের রাজত্বকালে পাল যুবরাজ রামপাল বরেন্দ্র বরেন্দ্র উদ্ধারের চেষ্টা করে দিব্যকের নিকট পরাজিত হন। দিব্যক এই সাফল্যের স্মৃতি রক্ষার উদ্দেশ্যে দীঘি মধ্যস্থিত এ স্তম্ভটি নির্মাণ করেন। আরো মত আছে যে ভীম এ স্তম্ভটি নির্মাণ করেন এবং পিতৃব্য দিব্যকের স্মৃতি রক্ষার্থে স্তম্ভটি তার নামে উৎসর্গ করেন।


দিবরদীঘি যাওয়ার ব্যবস্থা:

নওগাঁ বালুডাংগা বাস টার্মিনাল হতে সরাসরি বাসযোগে ঐতিহাসিক দিবরদীঘি যাওয়া যায়। আনুমানিক দূরত্ব ৫০ কিঃমিঃ বাসভাড়া- ৫০- ৬০/-টাকা ।

থাকার ব্যবস্থা- জনসাধারণের জন্য দিবরদিঘি থাকার কোন ব্যবস্থা নেই দিনে যেয়ে দিনেই ফিরে আসতে হবে অথবা উপজেলা সদর/জেলা সদরে থাকা যাবে; তবে ভি আই পি দের থাকার জন্য সাধারণ একটি রেস্টহাউজ আছে ।


বিস্তারিত জানার জন্য যোগাযোগের  ঠিকানাঃ

জনাব মোঃ আব্দুল মালেক

উপজেলা নির্বাহী অফিসার

পত্মীতলা, নওগাঁ

মোবাইল নম্বর- ০১৭১১৭৩৬৪৬৪


cwZmi :wek¦ Kwe iex›`ª bv_ VvKzi Gi KvPvwi evwo t


wek¦ Kwe iex›`ª bv_ VvKzi 1891 mv‡ji 15 A_ev ১৬ Rvbyqvix bIMuv †Rjvi AvÎvB Dc‡Rjvi cwZm‡i Av‡mb| wcZvÐgnwl© †`‡e›`ªbv_ VvKzi Rwg`vi Z`viwKi Rb¨ Kwbô cyÎ iex›`ªbv_‡KB wbe©vwPZ K‡ib| iex›`ªbv_ ¯¿x, cyÎ, Kb¨v wb‡q Av‡mb cÖ_‡g wkjvB`‡n Av‡mb 1889 mv‡j b‡f¤¦i gv‡m| kvnRv`cy‡i Av‡mb 1890 mv‡ji 13 Rvbyqvix | Kwe 1891 mv‡ji 13 Rvbyqvix kvnRv`cyi †_‡K bIMuv †Rjvi cwZmi Awfgy‡L iIbv nb| cwZmi iex›`ª m¥„wZab¨ GKwU Mªvg | cwZm‡ii bZyb f~e‡b bZyb gvbyli“‡c cwiMwYZ n‡Z jvM‡jb wZwb| KjKvZvi †Rvovmuv‡Kvi VvKzi cwiev‡ii evsjv‡`‡ki wZbwU Rwg`vix wQj| Gi g‡a¨ fvMÐev‡Uvqvivm~‡Î iex›`ªbv‡_i fv‡M c‡i KvjxMªvg ciMbv| KvjxMªvg (cwZmi nj KvwjMªvg †÷‡Ui KvPvwievwo) †_‡K Kwe ¯¿x g„bvwjbx †`ex‡K c‡Î wj‡Lb, ÕAvwR Avwg KvwjMªvg G‡m †cuŠQvjyg, wZb w`b jvMj| A‡bK iKg RvqMvi ga¨ w`‡q Avm‡Z n‡q‡Q| cÖ_‡g eo b`x Zvi c‡i †QvU b`x, `yav‡i MvQcvjv, PgrKvi †`L‡Z ........... |Õ wZwb AbybœZ ciMYvi iv¯—vNvU, wkÿv, m¦v¯n¨‡mev I `vwi`ª we‡gvPbmn bvbvwea Dbœqbg~jK Kg©m~Px nv‡Z †bb| Kg©m~Pxi g‡a¨ wQj Mªv‡g Mªv‡g wkÿv, m¦v¯n¨, K…wl, wkí, e¨vsK ¯nvcb, iv¯—vNvU wbg©vY, Kyc, `xwN  cyKzi Lbb, RsMj cwi¯‹vi, Mªvg¨ kvwjkx e¨e¯nv I gnvR‡bi my‡`i nvZ †_‡K `wi`ª cÖR‡`i iÿv Kiv| bIMuv I e¸ov †Rjvi 600 wU Mªvg wb‡q KvjxMªvg ciMbv MwVZ| Gi AvqZb wQj 230 eM©gvBj| iex›`ªbv_ VvKzi ciMbvi Ab¨vb¨ Dbœq‡bi cvkvcvwk wkÿvi w`‡K †ewk ¸i“Z¡ †`b| ciMYvi g~K I g~p gvbyl¸‡jvi wkÿvi Rb¨ Mªv‡g Mªv‡g A‰eZwbK cvVkvjv Pvjy K‡ib| ciMYvi 600 wU Mªv‡gB G cvVkvjv ïi“ n‡qwQj| cwZmi, iv‡Zvqvj, KvgZv wZbwU wefv‡M wZbwU ga¨ Bs‡iRx (Gg,B) ¯‹zj I cwZm‡i GKwU nvB¯‹zj ¯nvcb K‡ib| ¯‹z‡ji feb, QvÎvevm wbg©vY I Ab¨vb¨ LiP G‡÷U †_‡K enb Kiv n‡Zv| KvjxMªvg ciMYvi cÖRv‡`i wkÿvi Av‡jvwKZ Kivi Rb¨ iex›`ªbv_ VvKzi 1913 mv‡j ¯‹zj wZbwU cÖwZôv K‡ib| 1913mvj iex›`ªbv_ VvKzi evOvwji Rxe‡b GK bZyb w`Mš— D‡b¥vPb K‡ib| G eQi ÕMxZvÄjxÕ Kv‡e¨i Rb¨ wZwb †bv‡ej cyi¯‹vi cvb| G cyi¯‹v‡ii mgy`q A_© KvjxMªvg ciMYvi Dbœq‡b e¨q K‡ib | cwZm‡i Aew¯nZ KvjxMªvg i_x›`ªbv_ Bbw÷wUDU ¯nvcb nq 1913 mv‡j | 1891 mvj †_‡K 1937 mvj ch©š— (cwZmi †_‡K we`vq †bevi mgq ch©š— Kwe iex›`ªbv_ AmsL¨ KweZv, Mvb, Mí, Dcb¨vm, wPwVcÎ wj‡L‡Qb|


wPÎ msMÖn: Kvjvš—‡i bIMvu|


cwZm‡i iex›`ª iPbvejxi ZvwjKv t


wPÎvt c~wb©gv, mܨv, ˆPZvwjÐga¨vý ,cj­xMªv‡g, mvgvb¨ †jvK, `yj©f Rb¥, †Lqv, Kg©, e‡b I iv‡R¨,Z‡cveb, FZy, msnvi, †gN`yZ, w`w`, cwiPq, Abš—c‡_|

Kíbv t gvZvi Avnevb, nZfv‡M¨i Mvb, wfLvix, gvbm cÖwZgv, ms‡KvP, cÖv_©x, myKi“bv, e½j²x Ðkir |

ÿwbKvt evwYR¨ em‡Z j²x , Qovi Qwe, AvKvk cÖ`xc, we`vq Awfkvc (Kve¨ bvU¨), K_v I

Kvwnbx, `yB weNv Rwg|

Mvb t wewa WvMi AuvwLÐ, eay wg‡Q ivM K‡iv bvÐÐ , R‡j †Wvev wPKb k¨vgjÐ Ges Avwg Kvb

†c‡Z iBÐÐ , Zywg be i“‡c G‡mv cÖv‡bÐÐ ( Ask)

wQbœcÎvejx t 9,10,12, 13, 108, 110, 111, 113, 114, 115, 116, 117, 118, 119, 120, 152, 212, 213, 214, 241, 242, 243, 244, 246, 247 msL¨K wPwV |

Dcb¨vmt ÕÕ †MvivÕÕ I N‡i evwn‡i ÕÕ (Ask we‡kl )|

†QvU Mí t cÖwZwnsmv, VvKzi`v,

cÖeÜ t ÕÕ cÂf~ZÕÕ (Ask we‡kl) ivRvÐcÖRv (Ask we‡kl) BZ¨vw` |

cwZm‡i Kwei iwPZ ÕnZfvM¨ Õ Mv‡bi †kl Ask

...... Avgiv †`uv‡n †Nlv‡Nwl wPiw`‡bi cÖwZ‡ekx

eÜy fv‡e K‡Ú †m †gvi

Rwo‡q †`‡e evûcvk we`vq Kv‡j

A`„‡ó‡i K‡i hve cwinvm\ ......


পতিসর যাওয়াব্যবস্থা :

নওগাঁ থেকে সরাসরি বাস যোগে পতিসরে যাওয়া যায়। দূরত্ব আনুমানিক- ৪৫ কিঃমিঃ

ভাড়া- ৩৫.০০ টাকা ।

থাকার ব্যবস্থা- জনসাধারণের জন্য পতিসরে থাকার কোন ব্যবস্থা নেই দিনে যেয়ে দিনেই ফিরে আসতে হবে অথবা উপজেলা সদর/জেলা সদরে থাকা যাবে; তবে ভি আই পি দের থাকার জন্য জেলা পরিষদের ডাকবাংলো আছে ।

বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য যোগাযোগের  ঠিকানা :

মো: শরিফুল ইসলাম

উপজেলা নির্বাহী অফিসার

আত্রাই, নওগাঁ

মোবাইল নম্বর: ০১৭১১-২৬৬০৮৫

জবাই বিল মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্প


নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলাধীন জবই বিল মৎস্য উৎপাদনের একটি বড় উৎস্য । এ প্রকল্প হালনাগাদ মৎস্যজীবির সংখ্যা- ৭৯৯ জন। জলমহালটি ২০২০ সাল  পর্যন্ত ২০ (কুড়ি) বৎসরের জন্য মৎস্য বিভাগে হস্তান্তরিত। প্রতি ৫ (পাঁচ) বৎসর পর পর নবায়নযোগ্য। আগামী- ২২/৭/১০ খ্রিঃ তারিখে ২য় পাইলে ৫ (পাঁচ) বৎসরের মেয়াদ উত্তীর্ণ হবে। ২য় পাইলে ৫(পাঁচ) বৎসরে সরকারী কোন ব্যয় নাই। স্থানীয়ভাবে মৎস্যজীবিদের সঞ্চিত টাকা দ্বারা প্রকল্পটি পরিচালিত। চলতি বৎসরে (২০০৯ সনে) মৎস্যজীবিদের সঞ্চিত টাকার পরিমাণ ২,৫৪,৬০০/- টাকা প্রায়, আনুমানিক ব্যয় ১,১৮,০০০/- টাকা, পাহারাদারদের বেতনসহ অন্যান্য ব্যয় করা হয়েছে। আগের মজুদ প্রায় ৪,৩৬,০০০/- টাকা ।


wPÎ msMÖn I ms‡hvRb: W. †gvRvddi Avn‡g`, AwZwi³ †Rjv cÖkvmK (ivR¯^), bIMvu| ZvwiL: 1৫ জানুয়ারী 20১০

১। জলমহালের আয়তন- ৪০৩ হেক্টর ।

২। প্রকল্পের নামঃ নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলাধীন জবই বিল মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্প ।

৩। বাস্তবায়নকারী সংস্থা মৎস্য অধিদপ্তর ।

৪। প্রকল্পের উদ্দেশ্যঃ

· মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির সাথে মৎস্য সংর  ক্ষণ আইন বাস্তবায়ন ও জীববৈচিত্র সংরক্ষণ।

· মৎস্যজীবিদের আর্থ-সামাজিক অবসহার উন্নয়নকরণ।

· মৎস্য অভয়াশ্রম সৃষ্টির মাধ্যমে প্রাকৃতিক মজুদ বৃদ্ধিকরণ ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধিকরণ।

· মৎস্যজীবিদের মাছ চাষের আধুনিক কলাকৌশল সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান।

· মৎস্য আহরণ, মৎস্য বাজারজাতকরণ এবং মাছ চাষে আধুনিক কলাকৌশল প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মৎস্যজীবিদের দারিদ্রতা দূরীকরণ ।

৫। নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলাধীন জবই বিল একটি অতি পরিচিত দশর্নীয়   স্থান ।  স্থানটি বর্ষা মৌসুমে অত্যন্ত  সুন্দর অাকার ধারণ করে। বর্সায় এর নয়নাভিরাম দৃশ্ব অবলেঅকোনের জন্য বহু পযটক এখানে অাগমন করেন।

৬। জবই বিল যাওয়াব্যবস্থা :

নওগাঁ থেকে সরাসরি বাস যোগে জবই বিল যাওয়া যায়। দূরত্ব আনুমানিক- ৮৫-৯০ কিঃমিঃ

ভাড়া- ৫০-৬০ টাকা ।

৭। থাকার ব্যবস্থা- জনসাধারণের জন্য জবই বিল থাকার কোন ব্যবস্থা নেই দিনে যেয়ে দিনেই ফিরে আসতে হবে অথবা উপজেলা সদর/জেলা সদরে আগে থেকে যোগাযোগ করে থাকা যেতে পারে।

৮। বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য যোগাযোগের  ঠিকানা :


উপজেলা নির্বাহী অফিসার

সাপাহার ,নওগাঁ। ফোন: ০৭৪৩২-৭৪০০৪(অফিস)

মোবাইল নম্বর: ০১৭১২-২৫৫৭০০

 

bIMuv †Rjv cwil` cvK©

cUf~wg t

¯nvbxq fvl¨g‡Z e„wUk Avg‡j 1920 mv‡j bIMuv kn‡ii cÖvY‡K›`ª bIMuv †Rjv cwil` cvK©wU cÖwZwôZ nq | cvK©wU bIMuv †gŠRvi Avi Gm 9 bs LwZqv‡b 881, 882, 883, 884, 885, 886 I 87 bs `v‡M †gvU 2.46 GKi Gwiqv wb‡q MwVZ | †Rjv cwil`, bIMuv cv‡K©i `vwq‡Z¡ i‡q‡Qb | MYcÖRvZš¿x evsjv‡`k miKv‡ii GKRb Dc mwPe; whwb cÖavb wbe©vnx Kg©KZ©v, †Rjv cwil` bIMuvi c‡` AjsK…Z K‡i Av‡Qb |

 


wPÎ msMÖn I ms‡hvRb: W. †gvRvddi Avn‡g`, AwZwi³ †Rjv cÖkvmK (ivR¯^), bIMvu| ZvwiL: 1jv Rvbyqvix  2010

 

`k©bxq welqt

cv‡K©i wfZ‡i 1.20 GKi wewkó GKwU cyKzi i‡q‡Q| hvi PZyc©v‡k¦© bvwi‡Kj MvQ I Ab¨vb¨ MvQ i‡q‡Q| cyKz‡i wewfbœ cÖRvwZi gvQ i‡q‡Q| cyKziwU LyeB Mfxi | cv‡K©i Af¨š—‡i `ywU iv¯—v cyi“l I gwnjv‡`i nuvUvi Rb¨ c„_Kfv‡e ˆZix Kiv Av‡Q| cv‡K©i Af¨š—ixY 2wU iv¯—v Av‡Q| wfZ‡ii iv¯—v `ª“Z †n‡U AwZµg Ki‡Z 3 wgwbU Ges evwn‡ii iv¯—vi AwZµg Ki‡Z 4 wgwbU mgq jv‡M| evwn‡ii iv¯—vi ‰`N©¨ 3415 dzU|


cv‡K©i wfZiwU wewfbœ dzjMvQ, cvZvevnvi, ûBwcs †`e`vi“mn A‡bK g~j¨evb MvQ †mŠ›`h©¨ ea©‡bi Rb¨ mw¾Z i‡q‡Q| cv‡K© K…òP~ov, ivavP~ov, A‡kvK, AR~©b, †gnwMwb, KvÂb SvD, cvš’cv`c, niZwK, e‡niv I bvwi‡Kjmn Ab¨vb¨ MvQ i‡q‡Q| ZvQvov †gŠm~‡g †ivwcZ †Mvjvc, Muv`v, Wvwjqv, wmjwfqv, isMb,fvi‡ebv, cwc, wRwbqv, Kmgm, Kv‡jb‡Wvjv, Gw›Unvgmn wewfbœ cÖRvwZi dzjMvQ Pvl n‡q _v‡K | bIMuv kn‡ii me©¯Z‡ii RbMY gvbwmK I kvwiwiK cÖkvwš—i Rb¨ †Rjv cwil`, bIMuvi cvK©wU AZ¨š— hy‡Mvcy‡hvMx I ¸i“Z¡c~Y© f~wgKv †i‡L P‡j‡Q |


cv‡K©i wfZ‡i GKwU Awdm K¶I i‡q‡Q| cv‡K©i `w¶Y c~e© †Kv‡b GKwU e¨qvgvMvi i‡q‡Q| gvby‡li emvi Rb¨ 5 wU QvZv i‡q‡Q| ZvQvov 49 wU emvi wmU i‡q‡Q| †QvU wkï‡`i we‡bv`‡bi Rb¨ 13 wU †`vjbv, 3wU †XuwK I 1 wU Syjš— gB ¯nvcb Kiv (Pvjy) Av‡Q| RbM‡Yi Rb¨ 3wU †kŠPvMvi i‡q‡Q| cv‡K©i ‰`bw›`b myôy e¨e¯nvcbvi Rb¨ cvK© mycvifvBRvi 1 Rb, gvwj 4 Rb I ˆbk cÖnix 2 Rb wb‡qvwRZ i‡q‡Qb| cvK©wU †fvi 6.00 Uv †_‡K ivZ 9.00 Uv ch©š— Rbmvavi‡Yi we‡bv`b I PjvP‡ji Rb¨ †Lvjv _v‡K |

cv‡K©i wfZ‡i c~e© Ð DËi †Kv‡b GKwU cvVvMvi i‡q‡Q| cvVvMv‡i wewfbœ ai‡bi eB i‡q‡Q I wbqwgZ ˆ`wbK cwÎKvI ivLv nq| cvVvMvi †`Lvïbvi Rb¨ GKRb jvB‡eªixqvb i‡q‡Q| Mªxl¥Kvjxb mg‡q weKvj 5.00 Uv †_‡K m~h©v¯— ch©š— Ges kxZKvjxb mg‡q weKvj 4.00 Uv †_‡K myh©v¯— ch©š— jvB‡eªix †Lvjv _v‡K|


†hvMv‡hvMt

cÖavb wbe©vnx Kg©KZ©v

‡Rjv cwil`

bIMuv |

‡dvbt 0741Ð61489